চায়না ডেইলি

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিবেদনে আপত্তি চীনের

চীনের সামরিক অগ্রগতি ও সামর্থ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রতিবেদনে আপত্তি জানিয়েছে বেইজিং।  নতুন প্রতিবেদনকে, চীনকে নিয়ে সামরিক শঙ্কা খেলার ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেছে দেশটি। সোমবার দেশটির অন্যতম দৈনিক পত্রিকা চায়না ডেইলি খবরটি প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রকাশ করেছে।

চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়াং ইয়ুজুন প্রতিবেদনটিকে অনুপোযুক্ত আলোচনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিবেদটিতে পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে শুধু চীনের জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি ও আইনি কর্মকাণ্ডকে তুলে আনা হয়েছে। 

মুখপাত্র জানান, চীন দৃঢ়ভাবে জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি বাস্তবায়ন করবে প্রতিরক্ষার জন্য। চীনের সামরিক সংস্কার ও আধুনিকায়ন শুধু দেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক সংহতি ও শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্যই এ নীতি।

ইয়াং বলেন, চীনের কৌশলগত অবস্থান ও সাধারণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের উন্নয়নকে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগজনক হিসেবে আখ্যায়িত করছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, নিজেদের মনে যদি স্নায়ুযুদ্ধের মনোভাব না থাকে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কেন এমন উদ্বেগ প্রকাশ করছে?

এ সংক্রান্ত খবর: যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম চীনের নতুন মিসাইল

উল্লেখ্য, দ্য ইউএস-চায়না ইকোনোমিক এন্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশন মার্কিন কংগ্রেসকে চীনের সামরিক সংস্কার ও আধুনিকায়ন নিয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। তাতে চীনের নতুন তৈরি গুয়াম কিলার মিসাইল সাড়ে ৫ হাজার  মাইল দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হনতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। ফলে প্রশান্ত মাহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ মার্কিন সামরিক স্থাপনা এই মিসাইলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

কমিশন আরও জানায়, চীনের মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ডিএফ-২৬ এর ডাক নাম ‘গুয়াম কিলার’। এ মিসাইলে আওতায় চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের গুয়াম অঞ্চল। চীনের যেসব সমরাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনায় আঘত হানতে সক্ষম, ডিএফ-২৬ হলো সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর।

প্রশান্ত মাহাসাগরের গুয়াম দ্বীপে রয়েছে যুক্তরাষ্টের এন্ডারসন বিমানঘাঁটি আর অ্যাপরা নৌঘাটি। এই সামরিক স্থাপনা থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তি প্রদর্শণ করতে পারে নিরাপদ দূরত্বে থেকে। এই স্থাপনাটি উত্তর কোরিয়া থেকেও নিরাপদ দূরত্বে অবস্থিত।  

আরও পড়ুন:

/এএ/