গণভোটে ক্যামেরন ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। সোমবার তিনি বলেন, এই ভোটের ফল দেশের জন্য ভালো কিছু নিয়ে আসবে, এটা তিনি মনে করেন না।
ভাষণে ক্যামেরন বলেন, ‘এটা পরিষ্কার যে, বাজারের অবস্থা নড়বড়ে। কিছু কোম্পানি বিনিয়োগে আগ্রহী হলেও এই পথ মোটেও মসৃণ হবে না। তবে তা সত্ত্বেও আমাদের জনগণের ওপর আস্থা রাখতে হবে। জনগণ শক্তিশালীভাবে ভবিষ্যতের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছেন।’
ক্যামেরন বলেন, ইইউ-র লিসবন চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে ব্রিটেনের ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া এখনই শুরু হচ্ছে না। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ইইউ-র সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক কেমন হবে, তা তিনি উল্লেখ করেননি। শুধু ইইউ-তেই ব্রিটেনের ৫০ লাখ গ্রাহক রয়েছে।
তবে এ সম্পর্কে ইইউ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্রিটেনকে তার ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে ইইউ-র বাজেটে সহায়তা করতে হবে, জনগণের চলাচলের স্বাধীনতা দিতে হবে। তারা জানিয়েছেন, ৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে ইইউ থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু না করা পর্যন্ত ব্রিটেনের সঙ্গে ইইউ-র সম্পর্ক কেমন হবে, তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
ক্যামেরন জানিয়েছেন, তিনি ব্রিটেনের সঙ্গে ইইউ এবং বহির্বিশ্বের সম্পর্ক কেমন হবে, তা নির্ধারণে সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা একটি কমিটি গঠন করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিতেই হবে, আর সে অনুযায়ী এখনই সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতিতে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।’
/এসএ/এএ/