প্রমাণের অভাবে গত মাসেই মালেগাঁও বিস্ফোরণে সাধ্বী প্রজ্ঞা এবং আরও সাত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ খারিজ করে দেয় এনআইএ। তারপরই আদালতে জামিনের আবেদন করেন সাধ্বী। সেই জামিনের বিরোধিতা করে আবেদন করেন নিসার আহমেদ সৈয়দ বিলাল। ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণে তিনি আহত হয়েছিলেন। সেই শুনানিতেই এনআইএ’র তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত।
উপযুক্ত প্রমাণ নেই বলে জানিয়ে গত মাসেই ২০০৮-এর মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় যাবতীয় অভিযোগ থেকে রেহাই দিয়েছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)। গত ১৩ মে এনআইএ তাদের চার্জশিটে জানায়, প্রজ্ঞা ও মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় বাকি ৫ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে তারা। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হওয়া মহারাষ্ট্র সংগঠিত অপরাধ দমন আইনের কঠোর ধারাগুলিও তুলে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি এক অভিযুক্তকে ফাঁসাতে জোর করে তাঁর কাছে বিস্ফোরক রেখে দিয়েছিল মহারাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদ দমন স্কোয়াড (এটিএস), এমন অভিযোগও তোলে এনআইএ।
এই অবস্থায় গত ৩০ মে প্রজ্ঞা জামিনের আবেদন করেন। এনআইএ তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনেনি, তাছাড়া তিনি অসুস্থ, শরীর ভেঙে পড়ছে, এহেন দাবি করা হয় তার তরফে।
এনআইএ প্রজ্ঞাকে রেহাই দিলেও বিস্ফোরণে নিহতদের আত্মীয়রা বেঁকে বসেন। তাদের দাবি, দক্ষিণপন্থী হিন্দু গোষ্ঠীর নেত্রীর বিচারের জন্য যথেষ্ট নথিপ্রমাণ জোগাড় করেছে এটিএস।
বিস্ফোরণে জখম হওয়া জনৈক নিসার আহমেদ সঈদ বিলাল প্রজ্ঞার জামিনের বিরোধিতা করে আবেদন পেশ করেন। তার দাবি, আদালত সব তথ্যপ্রমাণ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক। এই মামলায় মকোকার ধারায় অভিযোগ আনা উচিত। শুনানিতে তার জামিনের আর্জি বাতিল করে দেন বিশেষ বিচারক এস ডি তেকালে। সেই সঙ্গে এনআইএ’র তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
/এমপি/