দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ

একমাত্র আমিই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি: থেরেসা মে



Telegraphব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সমর্থন বাড়ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে’র প্রতি। সম্প্রতি আরও দুই মন্ত্রী সমর্থন জানিয়েছেন তাকে। পাচ্ছেন দলীয় সংবাদমাধ্যমেরও সমর্থন। পাশে আছেন দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এমপি। সব মিলিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা থেরেসা মে মঙ্গলবার রাতে বলেছেন, একমাত্র তিনিই ব্রিটেনকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেন। এ বিষয়টি নিয়ে বুধবার শিরোনাম করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ।

এই নির্বাচনের অন্য প্রার্থীদের তুলনায় দলীয় এমপিদেরও বেশিরভাগই সমর্থন করছেন তাকে। কমপক্ষে তিনজন মন্ত্রীও রয়েছেন তার সমর্থনে। নির্বাচনী দৌড়ে থেরেসার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আরও রয়েছেন বিচারমন্ত্রী মাইকেল গোভ, শ্রম ও অবসর ভাতা বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ক্র্যাব, জ্বালানীমন্ত্রী অ্যান্দ্রিয়া লিডসম ও সাবেক কেবিনেট মন্ত্রী লিয়াম ফক্স।

থেরেসা মে বৃহস্পতিবার তার প্রার্থিতা ঘোষণার পর দুই কেবিনেট মন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন ও প্যাট্রিক ম্যাকলফলিন সমর্থন জানিয়েছেন তার প্রতি। তারা থেরেসার নির্বাচনী প্রচারণার পক্ষে কাজ করবেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্যালন বলেছেন, ‘যে সংকটময় পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে’ তা থেকে উত্তরণের জন্য থেরেসাই সঠিক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘থেরেসাই সর্বোত্তম ব্যক্তি যিনি ইইউ থেকে আমাদের বেরিয়ে যাওয়ার পথে নেতৃত্ব দিতে পারবেন; যাতে করে আমাদের কঠিন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুরক্ষার পাশাপাশি আমরা অভিবাসী কমাতে পারব ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করতে পারব।’

পরিবহনমন্ত্রী প্যাট্রিক ম্যাকলফলিন ডেইলি সানে লিখেছেন, থেরেসে মে’র মধ্যে বিশেষ ‘ইট’ ফ্যাক্টর রয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা জানি যে আমাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীকে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে আমরা বাকি বিশ্বের সামনে আমাদের উজ্জ্বল একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। এক্ষেত্রে তার সম্পর্কে পূর্বের অভিজ্ঞতা এমন যে তিনি যখন ব্রাসেলসে হাজির হন, ইউরোপের নেতারা চুপচাপ বসে তার কথা শোনেন।’ এদিকে ডেইলি মেইলও তাদের শুক্রবারের সংখ্যার প্রচ্ছদেই সমর্থন জানিয়েছে থেরেসাকে। পত্রিকাটি শিরোনামে লিখেছে, ‘অগ্নিশিখার মুখে দল এবং কেন থেরেসাকেই দায়িত্ব নিতে হবে’। তাতে লেখা হয়েছে, ওয়েস্টমিনিস্টার যখন ক্রমেই পাগলাগারদ সাদৃশ্য হয়ে পড়ছে তখন দেশের হাল ধরার জন্য শক্তিশালী ও অবিচল একজন নেতৃত্ব প্রয়োজন।

এই নির্বাচনে থেরেসা মে’র প্রতিপক্ষ হিসেবে লন্ডনের সাবেক মেয়র ও ইইউ ত্যাগের পক্ষের প্রধান নেতা বরিস জনসনকে সবাই প্রত্যাশা করে আসছিলেন। তবে নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় বরিস নিজেকের প্রত্যাহার করে নেন নির্বাচনী দৌড় থেকে।

/এমপি/