এ ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতাও অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে ১৫০ জন উদ্ধারকর্মী কাজ করে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ভারতের মুম্বাই-গোয়া হাইওয়েতে ব্রিটিশ আমলের একটি সেতু ভেঙে পড়ে। ভারী বর্ষণ ও বন্যার কারণে সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। মহারাষ্ট্রের রাইগাদ জেলার মাহাদ শহরের কাছে ওই দুর্ঘটনা হয়। এতে দুটি বাসসহ তিনটি যানবাহন নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এ দুর্ঘটনার নিখোঁজদের মধ্যে আর কেউ বেঁচে নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ১১ মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ৪২ জনের প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেন। দুর্যোগ অধিবেশনে সেতু ধসের বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। নিহতদের প্রতি পরিবারকে ৫ লাখ ভারতীয় টাকা দেওয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।
স্থানীয় কর্মকর্তা সতীশ বাগল জানান, নিহতদের মধ্যে অনেকের মৃতদেহ সেতুটি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই নারী ও এক পুরুষের পরিচয়ও শনাক্ত করা গেছে। তবে ভেসে যাওয়া যানগুলোর একটিকেও এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানান এক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রের সেই ব্রিটিশ আমলের ভেঙে পড়া সেতুর পাশেই আরেকটি নব নির্মিত সেতু রয়েছে। পুরনোটি ভেঙে পড়ার পর নতুন সেতুতে আপাতত যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদানোভিস মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক টুইট বার্তায় জানান, নদীটির ওপর দিয়ে দুটি ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। নতুন ব্রিজটির কোন ক্ষতি না হলেও তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে গেছে ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া পুরাতন ব্রিজটি।
/এমপি/