মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল এনবিসি নিউজকে ট্রাম্প বলেন, আমি যখন সিদ্ধান্ত নেই তখন তা করি। আমি নিজেকেই বলি, ট্রাম্পের সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগের বিষয় পুরোটাই বানোয়াট। নির্বাচনে হেরে যাওয়া ডেমোক্র্যাটদের একটি অজুহাত মাত্র, যারা ভেবেছিল নির্বাচনে তারাই জিতবে।
জেমস কোমি এফবিআই প্রধান হিসেবে ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়টি তদন্ত করছিলেন। সোমবার ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করেন। বুধবার এই তদন্তের বিষয়ে সিনেটের শুনানির মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল কোমির। বরখাস্ত হওয়ায় তার পরিবর্তে নতুন ভারপ্রাপ্ত এফবিআই প্রধান সিনেটের শুনানিতে উপস্থিত হয়েছিলেন।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, আমি চাই দৃঢ় ও ভালোভাবে এটা হোক। আমি চাই তারা এটার গভীরে যাক। যদি রাশিয়া হ্যাক করে থাকে, যদি রাশিয়া আমাদের নির্বাচন নিয়ে কিছু করে থাকে তাহলে বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানতে চাই।
কোমিকে বরখাস্তের পর ট্রাম্পের উপদেষ্ঠারা জানিয়েছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেসন্স ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড জে. রোজেনস্টেইনের পরামর্শেই প্রেসিডেন্ট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল ফাঁস এবং ট্রাম্প প্রশাসনে রুশ সংযোগ নিয়ে তদন্ত করছিলেন কোমি। নিন্দুকরা বলছেন, রুশ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ার ভয়েই ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করেছেন।
এদিকে, ভারপ্রাপ্ত এফবিআই প্রধান অ্যান্ড্রু ম্যাককেইব সিনেটের শুনানিতে উপস্থিত হয়ে জানিয়েছেন, কোমি বরখাস্ত হওয়ার পরও নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাবে এফবিআই।
আর ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তার বা ট্রাম্প শিবিরের কোনও আঁতাত নেই। তার বিরুদ্ধে এফবিআই কোনও তদন্ত করছে না। সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
/এএ/