যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি করেছে কাতার। বুধবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ন্যাটো সদর দফতরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানি এবং ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টোলটেনবার্গ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার শিরোনাম করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ টাইমস।
চুক্তি অনুযায়ী সৌদি জোটের হুমকিতে থাকা উপসাগরীয় এই দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবে ন্যাটো সেনারা। তারা কাতারের আল-উদাইদ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে।
রাজধানী দোহা থেকে আল-উদাইদ ঘাঁটির দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। সেখানে বর্তমানে ১১ হাজার সেনাসদস্য রয়েছে। এদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদস্য।
২০১৭ সালের ৫ জুন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসর। স্থল, নৌ ও বিমান পথে দেশটিকে অবরুদ্ধ করে সৌদি জোট। ওই সময়ে কাতারে সৌদি জোটের সামরিক আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনার অভিযোগ উঠে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে পার্লামেন্টের অনুমোদন নিয়ে কাতারের তুর্কি সামরিক ঘাঁটিতে বাড়তি সেনা মোতায়েন করে করে তুরস্ক।
ওই অবরোধকে রক্তপাতহীন যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে মন্তব্য করেন কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আলে সানি। তার ভাষায়, সৌদি আরবের নেতৃত্বে কয়েকটি দেশ দোহার বিরুদ্ধে প্রকারান্তরে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।