উচ্চপদস্থ একটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আগামী শরতের মধ্যে প্রথমবারের মতো পুরুষ সেনাদের পাশাপাশি নারীদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
এ ধরনের পদক্ষেপে সাবেক কমান্ডার ও সেনাদের সমালোচনার মুখে পড়তে হবে; যাদের বিশ্বাস পুরুষ ও নারী সেনাদের সমন্বিত ইউনিট অপেক্ষাকৃত কম দক্ষতাসম্পন্ন। আশঙ্কা রয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা হ্রাস পাবে। শারীরিক কারণে রণাঙ্গনে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবেন না নারীরা। এ ছাড়া তাদের উপস্থিতি লড়াইয়ের মাঠে সেনা ইউনিটকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
ক্যামেরন বলেন, কাছাকাছি অবস্থান থেকে লড়াইয়ের বিষয়ে নারী সেনাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সময় এসেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন এবং আমি এ ব্যাপারে একমত যে, আমরা ২০১৬ সালে সশস্ত্র বাহিনীর সব ভূমিকায় নারীদের দেখতে চাই।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে আমরা সাবমেরিনের নারী ক্রুদের ওপর থেকে অনেক বাধা তুলে নিয়েছি। সব চাকরিতেই নারীরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারছেন। আমাদের উচিত রণাঙ্গনের মাঠও তাদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া। সূত্র: ডেইলি টেলিগ্রাফ।
/এমপি/বিএ/