যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাফিক সিগন্যালে গাড়ি থামানোর পর পুলিশের গুলিতে নিহত কৃষ্ণাঙ্গদের সংখ্যা বাড়ছে। শুক্রবার দেশটির প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টের এক খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
নিজেদের দেওয়া পরিসংখ্যান তুলে ধরে খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছর পুলিশের ট্রাফিক সিগন্যালে গাড়ি থামানোর পর গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহতের হওয়ার ঘটনা শতাধিক। নিহত প্রতি তিনজনের একজন কৃষ্ণাঙ্গ। ২০১৫ সালে পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার ঘটনাগুলোর মধ্যে ট্রাফিক সিগন্যালে নিহতের সংখ্যাই বেশি।
ট্রাফিক সিগন্যালে পুলিশের গুলিতে নিহত হচ্ছে কৃষ্ণাঙ্গ, শ্বেতাঙ্গ ও হিসপ্যানিকরা। পরিসংখ্যান অনুসারে দেশটিতে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যার মধ্যে ট্রাফিক সিগন্যালে গুলিতে নিহতের সংখ্যা ১১ শতাংশ।
স্থানীয় ও রাজ্য পুলিশে তদন্ত চালিয়ে জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট প্রমাণ পেয়েছে ট্রাফিক পুলিশের মধ্যে বর্ণবাদীতা রয়েছে। গত বছর জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, ১২ মাসে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় কৃষ্ণাঙ্গরা পুলিশের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে পালাতে চাওয়ার সংখ্যা বেশি।
অবশ্য পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, পুলিশের সবচেয়ে বিপদজনক দুটি কাজের মধ্যে কার থামানো একটি। যখন পুলিশ কর্মকর্তা কার থামান, তখন তার কোনও ধারণা থাকে না গাড়ির ভেতরে কী আছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুসারে, পুলিশের গুলিতে নিহত কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে সাতজন নিরস্ত্র ছিল। তবে নিহত অর্ধেক কৃষ্ণাঙ্গ নারী ও পুরুষ গাড়ি থামানোর পর পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুসারে ২০১৫ সালে ৩২ পুলিশ ট্রাফিক সিগন্যাল দিয়ে গাড়ি থামানোর সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে মারা গেছে ৬ জন।
/এএ/