গত সপ্তাহেই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন প্রসিকিউটররা এবং অন্য দুই ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত করেন। অভিযুক্তদের একজন সাঈদ রিজওয়ান ফারুকের বন্ধু ও প্রতিবেশি এনরিক মারকুইজ। সাঈদ রিজওয়ান ফারুকই চলতি মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার সান বারনারডিনোতে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হোতা। ওই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন ১৪ জন।
অপর অভিযুক্ত ম্যারিল্যান্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ এলসহিনাউই। তার বিরুদ্ধে ইসলামিক স্টেটের কাছ থেকে আট হাজার ৭০০ ডলার গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালানোর জন্য তিনি এ অর্থ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছিলেন। তিনি প্রসিকিউটরদের জানিয়েছেন, সামাজিক মাধ্যমে ছোটবেলার এক বন্ধুর মাধ্যমে তিনি ইসলামিক স্টেটে সক্রিয় হন।
তৃতীয় অভিযুক্ত পেনসিলভানিয়ার বাসিন্দা জলিল আজিজ। ইসলামিক স্টেটকে বস্তুগত সহায়তা প্রদানের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আইএসের প্রপাগাণ্ডা বিস্তার করতেন এবং গ্রুপটির সমর্থকদের কাছে সিরিয়ায় লড়াইয়ে যেতে সাহায্য চাইতেন। ইসলামিক স্টেটের অন্য সমর্থকদেরও আজিজ উৎসাহিত করতেন। যোগাযোগের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতেন বলে জানান প্রসিকিউটররা।
উল্লেখ্য, গত মাসে এক অনুষ্ঠানে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জন পি কার্লিন বলেন, 'প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা যে বিষয়টি দেখতে পাই তা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব। ৫৫ শতাংশেরও বেশি ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বয়স ২৫ বছরের নিচে।'
/এমপি/বিএ/