এই পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সিন্ধু প্রশাসনের দ্বন্দ্ব নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সিন্ধু প্রশাসন অনেকদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি ‘প্রাদেশিক সরকারের ওপর আধিপত্যে’র অভিযোগ তুলে আসছে।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলি খান বলেন, ‘প্রদেশের অধীনে কাজ করলেও এই বাহিনী কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ।অ্যান্টি টেররিজম অ্যাক্ট মোতাবেক কাজ করে এই বাহিনী। এই আইনটি কেন্দ্রীয় সরকারেরই আইন।’
প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও বেআইনিভাবেই সিন্ধ প্রদেশে কাজ করে আসছে এই বেসামরিক বাহিনী। এ বিষয়টিকে সিন্ধুর প্রাদেশিক সরকার সংসদে তুলেছে। সে সময় তাদের অভিযান চালানো ও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করার এখতিয়ার দেওয়া হয়। তবে বলা হয় এই বাহিনী কেবল হত্যা, লুটপাট ও অপহরণসহ বিশেষ কয়েকটি অপরাধের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে। সূত্র: ডন নিউজ
/ইউআর/বিএ/