সেনা মুখপাত্র আরও জানান, যদিও রামাদি এখন পুরোপুরি ইরাকের অধিকারে, তবে বিচ্ছিন্নভাবে আইএসের পক্ষ থেকে প্রতিরোধের সম্ভাবনাও রয়েছে।
প্রায় সপ্তাহখানেক যাবত ওই নগরী আইএস দখলমুক্ত করতে চেষ্টা করে আসছিল ইরাকি সেনাবাহিনী। বাগদাদ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুন্নি নগরী রামাদি গত মে মাসে আইএসের দখলে চলে যায়।
তবে সত্যিই যদি ইরাকের সরকারি বাহিনী রামাদিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে রাখতে পারেন তবে আইএসের বিরুদ্ধে তাদের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন মিলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরইমধ্যে মসুল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি।
সোমবার রামাদি থেকে ইরাকের সেনাবাহিনী আইএসকে হটাতে সক্ষম হওয়ার পর টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ২০১৬ সালে ইরাক থেকে আইএসকে একেবারে বিতাড়িত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘২০১৬ সাল হবে বড় ও চূড়ান্ত বিজয়ের বছর। আমরা মসুলকে স্বাধীন করার জন্য আসছি। আর এটাই হবে আইএসের বিরুদ্ধে বড় ও চূড়ান্ত অভিযান।’
ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস ঘোষিত খিলাফত এলাকার মধ্যে মসুল শহরটি সবচেয়ে বড়।
/এফইউ/