সূত্র জানায়,আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ওবামা যে প্রস্তাবগুলো দেবেন তারমধ্যে বেশ কয়েকটি অ-লাইসেন্সকৃত ডিলারকে লাইসেন্স করানো এবং অস্ত্র ক্রেতাদের বিস্তারিত তথ্য জানার ওপর বেশি গুরুত্ব দেবেন। পরিবর্তনগুলো কেবল সেই সব ডিলারদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে যারা অনলাইনে অস্ত্র বিক্রি করেন। অনানুষ্ঠানিক অস্ত্র ডিলারদের জন্য লাইসেন্স সংগ্রহের প্রস্তাবটি আসে মূলত দুই বছর আগে। সেই সময় যেসব ডিলার বছরে ৫০টির বেশি অস্ত্র বিক্রি করেন তাদেরকে লাইসেন্স সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়ে একটি খসড়া তৈরি করেন হোয়াইট হাউজ কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (১ জানুয়ারি) ২০১৬ সালের প্রথম সাপ্তাহিক ভাষণে বারাক ওবামা নিজেও আগ্নেয়াস্ত্র নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রস্তাবিত বন্দুক নীতির জন্য কংগ্রেসের সমর্থন না পাওয়াকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের সবচেয়ে বড় হতাশা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক বন্দুক হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটিতে বেশ কয়েকবার আগ্নেয়ান্ত্রের আইন কঠোর করার চেষ্টা করেও সফল হওয়া যায়নি। ২০১৩ সালে কানেকটিকাটে বন্দুকধারীর হামলায় ২০ শিশুসহ ২৬ জন নিহত হওয়ার পর অস্ত্র ক্রেতাদের তথ্য যাচাইসহ বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার বিধান রেখে একটি যৌথ বিল পাসে ব্যর্থ হয় ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকানরা। বিলটি পাসের জন্য প্রয়োজনীয় ৬০ ভোটও পাওয়া যায়নি তখন।
এমন প্রেক্ষাপটে নতুন বছরের প্রথম সাপ্তাহিক ভাষণে ওবামা বলেন, ‘আমরা জানি যে সব ধরনের সহিংসতা ঠেকানো আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। তবে এগুলোর মধ্যে অন্তত একটির সমাধানের চেষ্টা করতে সমস্যা কোথায়? আমাদের বাচ্চাদের আগ্নেয়ান্ত্র থেকে রক্ষা করার জন্য কি কংগ্রেস এগিয়ে আসতে পারতো না?’ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির তবে আগ্নেয়ান্ত্র আইনের ক্ষেত্রে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে ওবামা বিরোধীদের তোপের মুখে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র:ওয়াশিংটন পোস্ট
/এফইউ/বিএ/