এদিকে, পরমাণু বিশেষজ্ঞদের মতের প্রতিধ্বনি করে পিয়ংইয়ংএর দাবিকে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউজ। গতকালের পরীক্ষাটি যদি আণবিক বোমার ক্ষুদ্র অংশও হতো, তারপরও এর চেয়ে অনেক বড় বিস্ফোরণ হওয়ার কথা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের ওই বৈঠক থেকে ওই পরীক্ষার বিষয়ে ‘তীব্র প্রতিবাদ’ জানানো হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বলেন, ‘এই পরীক্ষা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ব্যহত করেছে।’ তবে ওই বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যপারে সুনির্দিষ্ট কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
জাতিসংঘের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে এই মাসে দায়িত্ব নেওয়া উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত এলবিও রোসেলি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত না মানলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ তবে পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০০৬, ২০০৯ ও ২০১৩ সালে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। সে সময়ও উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জাতিসংঘ।
এ ধরনের পরীক্ষার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ১৯৯৬ সালের এক চুক্তিকে কার্যকর করতে চান প্রস্তুতিমূলক কমিশনের প্রধান লাসিনা জেরবো। তিনি মনে করেন উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে ওই চুক্তিই হতে পারে সর্বোত্তম পন্থা। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইসরায়েল, মিসর ও চীন ওই চুক্তিকে স্বাক্ষর করলেও উত্তর কোরিয়া, ভারত ও পাকিস্তান ওই চুক্তি স্বাক্ষর থেকে বিরত থাকে।
/ইউআর/বিএ/