২০০৯ সালে সমকামকে বৈধতা দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দেয় দিল্লির হাইকোর্ট। তবে আইন পাল্টানো আদালতের নয়, আইন প্রণেতাদের কাজ; এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে ২০১৩ সালে সমকামের উপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। সেসময় সমকামের অপরাধে যাবজ্জীবন পর্যন্ত সাজা ঘোষণা করা হয়।
মঙ্গলবার, প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ সমকামী অধিকার কর্মীদের দায়ের করা পিটিশনের পক্ষে রায় দেন। ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া রায়ের বিরোধিতা করে পিটিশনটি দায়ের করা হয়েছিল।
মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, ২০০৯ সালে সমকামকে বৈধতা দেওয়ার পর যেসব সমকামী নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করেছিলেন, চার বছর পর রায় পরিবর্তন হওয়ায় তারা ধরপাকড়ের শিকার হচ্ছেন।
২০১৩ সালে জারি করা রুলটি এখন আরও বেশি সংখ্যক বিচারক নিয়ে গঠিত বেঞ্চ পর্যালোচনা করবে বলে মঙ্গলবার ঘোষণা দেন তিন বিচারক বিশিষ্ট প্যানেল।
সর্বোচ্চ আদালতের এমন সিদ্ধান্তে সন্তোষ জানিয়ে আইনজীবী আনন্দ গ্রোভার বলেন, ‘এটি সত্যিকার অর্থে এক ধাপ সামনে এগিয়ে যাওয়া।’
এর আগে ২০১৩ সালের রায় পুনর্বিবেচনা করার জন্য দায়ের করা অন্য একটি পিটিশন খারিজ করে দিয়েছিলেন আদালত। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
/এফইউ/বিএ/