সম্মেলনে মালালা বলেন, ‘সিরিয়ার ভবিষ্যত নির্ভর করছে দেশটির শরণার্থী শিশুদের শিক্ষার ওপর, এবং শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমেই আমরা সেই ভবিষ্যতকে মজবুত করতে পারি’।
সম্মেলনে পাঁচ বছরের গৃহযুদ্ধের শিকার সিরিয়ার নাগরিকদের জন্য এক হাজার কোটি ডলার ব্যয় করার ঘোষণা দিয়েছে দাতা দেশগুলো। যুদ্ধপীড়িত মানুষের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় খাবার, স্বাস্থ্য সেবা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এ অর্থ ব্যয় করা হবে। গৃহযুদ্ধের কারণে শরণার্থী হওয়া মানুষদের জন্য ১০ লাখ চাকরি এবং সিরিয়ার প্রতিবেশি দেশগুলোতে তাদের সন্তানদের জন্য ১০ লাখ স্কুল তৈরি করার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে সম্মেলনে।
৬০টি দেশের প্রতিনিধিরা ছাড়াও ৩০ জন বিশ্বনেতা এই দাতা সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিশ্রুত অর্থের মধ্যে ২০১৬ সালেই ব্যয় করা হবে ৬০ কোটি ডলার। বাকি অর্থ পর্যায়ক্রমে ২০২০ সাল পর্যন্ত ব্যয় করা হবে। এ অর্থের একটা বড় অংশের যোগান দেবে জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
/বিএ/