সকাল ১০:৩০
সুপ্রিম কোর্টের পাটিয়ালা হাউজ আদালতে কানহাইয়া কুমারের আবেদনের শুনানি শুরু হয়।
বেলা ১১:১০
আইনজীবীরা আদালত প্রাঙ্গণে ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি দিতে শুরু করেন।
বেলা ১১:৪৫
সুপ্রিম কোর্ট আদালত কক্ষে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। কানহাইয়া কুমারকে দুপুর ২টায় ৬ আইনজীবী, ২ আত্মীয় ও ২ সতীর্থ শিক্ষার্থীসমেত আদালতে হাজির করা হবে বলে জানানো হয়।
দুপুর ১:২৫
আইনজীবীদের দুই দলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।
দুপুর ১:৪০
‘মিডিয়া মুর্দাবাদ’, ‘জেএনইউ মুর্দাবাদ’ শ্লোগান ধ্বনিত হয়। ছবি তোলার সময় দুই সাংবাদিককে ঘুষি মারা হয়। সাংবাদিকদের ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করে হুমকি দেওয়া হয়।
দুপুর ২:০০
সাংবাদিকদের ওপর আবারও হামলা হয়, পুলিশ বাধা দেয়নি।
দুপুর ২:৪০
পুলিশ কানহাইয়াকে আদালতে হাজির করে। তার চারপাশে কোন নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল না। একদল আইনজীবী তাকে কিল, চড়, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন।
দুপুর ২:৪৫
প্রশান্ত ভূষণ, ইন্দিরা জয়সিং এবং রাজীব ধাওয়ান সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের সামনে বলেন, কানহাইয়া ও সাংবাদিকদের পেটানো হয়েছে। কোর্ট থেকে ৬ আইনজীবীকে পাটিয়ালা হাউজে পাঠানো হয়। তাদের ওই ঘটনা সম্পর্কে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। ওই ৬ সাংবাদিক হলেন, কপিল সিবাল, রাজীব ধাওয়ান, দুষন্ত দেব, এ ডি এন রাও, অজিত সিনহা ও হারিন রাভাল।
বিকাল ৩:০৫
কানহাইয়াকে আদালতে তোলা হয়। তিনি জানান তিনি আদালত প্রাঙ্গণে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছেন।
বিকাল ৩:২৫
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের প্যানেল পাটিয়ালা হাউজে পৌঁছান। আইনজীবীরা আরও সহিংস হয়ে ওঠেন।
বিকাল ৪:০৫
প্যানেল সদস্যরা সহিংসতার মৌখিক প্রতিবেদন দেন। তারা নিজেরাও নিগ্রহের শিকার হয়েছেন বলে জানান।
বিকাল ৪:১৫
কানহাইয়াকে ১৪ দিনের বিচারিক হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।
বিকাল ৪:২৫
সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিচারের স্থান পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
বিকাল ৫:৩০
আইনজীবীরা আবারও একত্রিত হন, শ্লোগান দেন।
সন্ধ্যা ৬:৩০
সাংবাদিকদের আদালত ত্যাগ করতে বলেন আইনজীবীরা, হুমকি দেন।
সন্ধ্যা ৬:৪০
আইনজীবীরা কানহাইয়াকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। পুলিশ সাংবাদিকদের আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়।
সন্ধ্যা ৬:৫৫
কানহাইয়াকে অব্যবহৃত একটি পথে আদালত থেকে বের করে তিহার কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
/ইউআর/বিএ/