লিবিয়ার
যুক্তরাষ্ট্র ও মিশরের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, লিবিয়ার সাবরাথায় সশস্ত্র সুন্নিপন্থী সংগঠন আইএসের একটি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। হামলায় ইউএস এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়। পেন্টাগনের ধারণা, বিমান হামলায় নিহতদের বেশিরভাগই তিউনিসিয়ার নাগরিক। তারা আইএসের হয়ে কাজ করছিলেন। তবে ওই বিমান হামলায় মূল সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নুরে উদ্দিন চৌচানে নিহত হয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা ও তার প্রশাসন আবারও আইএসবিরোধী অভিযান জোরদার করার ঘোষণা দেওয়ার পরই এ হামলা হলো। লিবিয়ায় আইএসের উপস্থিতি কম হলেও সম্প্রতি সংগঠনটি নৃশংসতার ভয়াবহ নজির স্থাপন করেছে সেখানে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় সে বড় আকারের অভিযান চালানো হয়েছে লিবিয়ায় সে ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চালানো হবে না। মাঝে মাঝেই এ ধরনের হামলা চালানো হবে। ওই কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট নিয়মিত বড় বড় নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। যেমন সাবরাতে চৌচানকে লক্ষ্য চালানো হয়েছে।
লিবিয়ায় হামলা আইএসবিরোধী অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ বাড়ানোর ইঙ্গিত বহন করছে। গত কয়েক সপ্তাহে আফগানিস্তানে বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা আইএসবিরোধী লড়াইকে দীর্ঘমেয়াদি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। চলতি সপ্তাহে ইসলামিক স্টেটকে লিবিয়া থেকে উৎখাতে আরও বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি পিটার কুক জানান, চৌচানের মৃত্যুর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পড়বে জঙ্গি গ্রুপটির ওপর। এর ফলে জঙ্গি গ্রুপটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী হামলার ক্ষমতা কমে যাবে।
/এএ/বিএ/