এই বাজেটে রেলের যাত্রীভাড়া বাড়ানো হয়নি বা পণ্য পরিবহন মাশুল বাড়ানোর কথা বলা হয়নি। রেলমন্ত্রী চারটি নতুন ট্রেনের প্রস্তাব করা ছাড়াও যাত্রীদের জন্য বেশকিছু সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন।
আগামী দুই বছরে ৪০০টি স্টেশনে ওয়াইফাই সুবিধা চালু, ৪৪টি নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া, ৩১১টি স্টেশনে সিসিটিভি লাগানো, ২ হাজার কিলোমিটার নতুন লাইন স্থাপন, বয়োজ্যেষ্ঠদের জন্য ৫০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ, জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রেনের কামরায় পরবর্তী স্টেশন সংক্রান্ত তথ্য, স্বয়ংক্রিয় লেভেল ক্রসিং, মোবাইল ফোনে টিকিট কাটা, অ্যাপসের মাধ্যমে অভিযোগ এবং পরামর্শ জানানোর ব্যবস্থাসহ বেশকিছু সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবারের রেল বাজেটে।
সাবেক রেলমন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা কংগ্রেসের মল্লিক অর্জুন খাড়গে রেল বাজেটকে ‘নির্বাচনী বাজেট’ বলে উল্লেখ করেছেন। চলতি বছর পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা থাকায় যাত্রীদের ভাড়া বাড়ানো হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গত এক বছরে দুই বার রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই বাজেটে নতুন কিছুই নেই।’
সাবেক রেলমন্ত্রী এবং আরজেডি নেতা লালুপ্রসাদ যাদব বলেন, ‘এটা রেল বাজেট নয়, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা। রেল লাইনচ্যুত হয়েছে, যেটি ছিল লাইফলাইন।’
সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, ‘এটা বাজেট কোথায়? এটা বিভ্রান্তিকর বিবৃতি।’
তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, গত বছর রেল বাজেট ছিল জিরো। এ বছরের রেল বাজেটও জিরো। দুটি মিলিয়ে দেখলে এটি একটি ‘বিগ জিরো’।
সিপিআই (এম) নেতা মুহাম্মদ সেলিম এমপি বলেন, ‘এটা দিশাহীন বাজেট। কয়েকটি পরিসংখ্যান পেশ করে কিছু দাবি করা হয়েছে, যার কোনও ভিত্তি নেই।’
বিরোধীদের এতো সমালোচনা সত্ত্বেও রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুর বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি হাত মিলিয়ে রেলমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
/এসএ/এমপি/