প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার এই মামলায় কেন্দ্রের হয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মুকুল রোহতগি ও আইনজীবী হরিশ সালভে। তারা প্রশ্ন তোলেন, কেবল রায়ের কপি না মেলার জন্য এক পক্ষ কীভাবে পুরোপুরি ব্যাকফুটে চলে যেতে পারে, যেখানে অন্য পক্ষ সোজা পৌঁছে যাচ্ছে সরকার গড়ার জায়গায়।
কংগ্রেসের দুই আইনজীবী অভিষেক মনু সিংহভি ও কপিল সিবাল অবশ্য অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারির বিরুদ্ধে জোরালো আবেদন জানান। তারা দাবি করেন, এই স্থগিতাদেশ উত্তরাখণ্ডে ফের রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সামিল। কিন্তু তাদের দাবিতে সাড়া দেয়নি বিচারপতি দীপক মিশ্র ও বিচারপতি শিব কীর্তি সিংহের বেঞ্চ।
সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দেয়, ২৬ তারিখের মধ্যে হাইকোর্টকে তাদের রায়ের সম্পূর্ণ কপি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের হাতে তুলে দিতে হবে। পরদিনই হবে শুনানি। আর ততদিন পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডে কেন্দ্র যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেছে, তাতে হস্তক্ষেপ করা চলবে না। অর্থাৎ হাইকোর্টের রায়ে উত্তরাখণ্ডের গদিতে আবার ফিরে আসা হরিশ রাওয়াত সরকার আপাতত পুরো একদিনও টিকল না। এর আগে বৃহস্পতিবার, রাজ্যে জারি হওয়া রাষ্ট্রপতি শাসন খারিজ করে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট কংগ্রেস সরকারকে পুনর্বহাল করেছিলেন।
/এফইউ/