সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, রাতে রাজ্যের ক্লান্তি। বাসার ছোট্ট সদস্যটি যে প্রাণ খুলে গল্প করার সুযোগও পাচ্ছে না, সেদিকে নজর দেওয়ার সময় কই? এতে শিশু বেড়ে উঠছে একাকীত্ব নিয়ে। বাবা মায়ের প্রতি অভিমানের কারণে বাড়ছে হতাশা ও প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি। শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে শিশুকে আনন্দে রাখুন সবসময়। এজন্য যে খুব বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন এমনও নয়। হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও শিশুকে দিতে পারেন চমৎকার কিছু সময়। জেনে নিন কীভাবে-
শিশুর কথা শুনুন
শিশুরা প্রচুর কথা বলে। যত ক্লান্তই লাগুক না কেন, তাদের প্রতিটি কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এতে বাবা মায়ের সঙ্গে শিশুর এক ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
শিশুর কাজের প্রশংসা করুন
দিনশেষে বাসায় ফিরেই ক্লান্ত হয়ে পড়বেন না। বরং শিশু সারাদিন কী কী করলো তার খোঁজ নিন। ছবি আঁকা বা নতুন কিছু তৈরি করার মতো কাজগুলোর প্রশংসা করুন। এতে শিশু সৃজনশীল কাজে আগ্রহী হয়ে উঠবে।
শিশুকে সময় দিন
যত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন, দিনের কিছু সময় কেবল আপনার শিশুটির জন্য বরাদ্দ করে রাখুন। তার সঙ্গে খেলুন, গল্প করুন। এতে শিশুর একাকীত্ব কাটবে। ছুটির দিনে শিশুকে নিয়ে তার পছন্দের কোন জায়গা থেকে ঘুরে আসুন।
শিশুর সামনে ঝগড়া করবেন না
কোন কারণে রেগে গেলেও সেটা শিশুর সামনে প্রকাশ করবেন না। ঝগড়া বা মনোমালিন্যের মতো
বিষয়গুলো থেকে দূরে রাখুন শিশুকে।
শিশুর আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করুন নিজেকে
প্রতিটি শিশুই বাবা মায়ের মধ্যে নিজেকে দেখতে চায়। শিশুর সেই আদর্শ হতে পারলে সে বেড়ে উঠবে নিশ্চিন্তে। সেজন্য শিশুকে নৈতিক শিক্ষাদানের পাশাপাশি তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি হয়ে যান।
মডেল: নিধি
ছবি: ওমর ফারুক টিটু