কোরবানির ঈদে মাংসের অনেক পদ থাকে টেবিলে। ফলে বাড়তি মাংস খাওয়া হয়ে যায়। রেড মিট অতিরিক্ত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তবে নিয়ম মেনে রান্না করলে নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খাওয়া যায় গরুর মাংস। বাংলাদেশ মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল ও ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালটেন্ট ফাতেমা সিদ্দিকী ছন্দা জানাচ্ছেন গরুর মাংস কীভাবে রান্না করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে।
- গরুর মাংস রান্না করার আগে দৃশ্যমান সব চর্বি অবশ্যই ফেলে দিতে হবে।
- মাংস কাটার সময় যতোটা সম্ভব ছোট টুকরা করে কাটুন। এতে ভেতরে থাকা চর্বি বেরিয়ে আসবে। এজন্য মাংস কিমা করে খাওয়া অধিক নিরাপদ।
- মাংস খাওয়ার সময় ঝোল এড়িয়ে খাওয়া ভালো।
- হৃদরোগীদের জন্য মাংস আগে ফুটিয়ে চর্বির পানি ফেলে দিয়ে তারপর রান্না করতে হবে।
- গরু বা খাসির মাংস সবজি দিয়ে রান্না করতে পারেন। এতে মাংস কম খাওয়া হয়। পাশাপাশি পুষ্টিগুণও বেড়ে যায় রান্নার। মাশরুম অথবা আস্ত রসুন দিয়ে রান্না করতে পারেন মাংস। আবার লাউ, বাঁধাকপি, পেঁপে বা মিষ্টিকুমড়া দিতে পারেন মাংস রান্নায়।
- রান্নায় ঘি অথবা ডালডা ব্যবহার করবেন না। বরং ফ্যাট কমাতে ভিনেগার, লেবুর রস অথবা টক দই দিয়ে রান্না করুন মাংস।
- মাংস রান্না করার পর কিছুক্ষণ রেখে দিলে উপরে চর্বির আস্তরণ জমে যায়। এগুলো চামচ দিয়ে ফেলে দিন।
- কাবাবের ক্ষেত্রে গরুর মাংসের কিমার সঙ্গে ডাল যোগ করুন। এছাড়া পুড়িয়ে তৈরি কাবাবের ক্ষেত্রে ক্ষতির আশংকা বেশ কম।
আরও পড়তে পারেন: কতটুকু গরুর মাংস খাওয়া নিরাপদ?