খাবেন কচু, অথচ চুলকাবে না গলা!

কচুর পাতা, কাঠ কিংবা ছড়া সবারই প্রিয় সবজির মধ্যে অন্যতম। ভর্তা থেকে যে কোনও মাছের সঙ্গে কচু বেশ সুস্বাদু। এখন কচুর ভরা মৌসুম। যদিও অনেকে খেতে চাইলেও গলা চুলকানোর ভয়ে সেটি পাতে তুলতে চান না সহজে। ঠিক তাদের জন্যই এই ফিচার- 

কচু কেন চুলকায়

কচুতে থাকে র‌্যাফাইড নামে একটি উপাদান। যা গলায় আটকে যায় এবং এটার কারণে গলা চুলকায়। প্রশ্ন করতে পারেন র‌্যাফাইড কী? উত্তর হলো, এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সালেট। কচু গাছের মূল, কাণ্ড ও পাতায় এই যৌগ থাকে। এগুলো গাছটির রেচন পদার্থ। এর গঠন অনেকটা সুচের মতো। তাই খাওয়ার সময়ে এগুলো গলায় বিঁধে যায়। আর চুলকানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অতিরিক্ত তাপের কারণে র‌্যাফাইডের বেশির ভাগ গলে যায়। এ কারণে রান্না করা কচু খেলে গলা চুলকায় না। তবে কচুতে অনেক সময় কিছু কিছু র‌্যাফাইড অক্ষত থেকে যায়। তা রান্নার পরেও গলার অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শুধু তাই নয়, এই র‌্যাফাইড অনেক সময় রক্তে মিশে কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে, যা পরবর্তীকালে কিডনিতে পাথর জমার কারণও হয়।

আর চুলকাবে না গলা 

আর গলা চুলকাবে না কচু, যদি নিয়ম মেনে সেটি গ্রহণ করা যায়। কচু খাওয়ার আগে তার গায়ে লেবু বা তেঁতুলের রস লাগিয়ে নিতে পারেন। এগুলোতে যথাক্রমে সাইট্রিক এবং টার্টারিক অ্যাসিড থাকে। সেগুলো র‌্যাফাইডকে গলিয়ে দেয়। ফলে গলার অস্বস্তির আশঙ্কা তো থাকেই না, উল্টো কিডনির স্বাস্থ্যটাও ভালো থাকে।