ঝাল-মশলাদার চিংড়ির ভিন্ন স্বাদ পেতে বানিয়ে ফেলতে পারেন কারিপাতা ও টক দইয়ের এই মুচমুচে পদটি। বাইরে ক্রিস্পি, ভেতরে নরম চিংড়ি আর কারিপাতার সুগন্ধ গরম ভাতের পাশাপাশি নাশতা বা অতিথি আপ্যায়নেও জমবে বেশ।
উপকরণ
৫০০ গ্রাম খোসা ছাড়ানো ও পরিষ্কার করা চিংড়ি মাছ, ১টি ডিম, ২ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার, ১ টেবিল চামচ ময়দা, ১ চা চামচ আদা বাটা, ১ চা চামচ রসুন বাটা, ১ চা চামচ কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, ১ চা চামচ লেবুর রস, ১০ থেকে ১২টি কারিপাতা, ৪ থেকে ৫টি চেরা কাঁচামরিচ, ২ টেবিল চামচ টক দই, ভাজার জন্য পরিমাণমতো সাদা তেল এবং স্বাদমতো লবণ।
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে পরিষ্কার করা চিংড়ি মাছের সঙ্গে লেবুর রস ও সামান্য লবণ মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। এতে মাছের কাঁচা গন্ধও কমে যাবে।
এবার একটি পাত্রে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, ময়দা, আদা বাটা, রসুন বাটা, কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো ও সামান্য লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। পানি ঝরিয়ে রাখা চিংড়ি ওই ব্যাটারে দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে আরও ১৫ মিনিট রেখে দিন।
কড়াইতে পরিমাণমতো সাদা তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে চিংড়িগুলো একে একে দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজুন। চিংড়ির বাইরের অংশ সোনালি ও মুচমুচে হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে রাখুন।
অন্য একটি কড়াইতে এক টেবিল চামচ তেল গরম করে চেরা কাঁচা মরিচ ও কারিপাতা দিয়ে কয়েক সেকেন্ড ভেজে নিন। এরপর ফেটানো টক দই ও সামান্য কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো দিয়ে মশলাটি হালকা আঁচে কষিয়ে নিন।
মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে আগে থেকে ভেজে রাখা চিংড়ি দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে দিন। হাই ফ্লেমে প্রায় এক মিনিট দ্রুত নেড়ে চিংড়ির সঙ্গে মশলা ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। বেশি সময় রান্না করবেন না, এতে চিংড়ি শক্ত হয়ে যেতে পারে।
চুলা বন্ধ করার আগে ওপর থেকে কয়েকটি তাজা কারিপাতা ছড়িয়ে দিন। এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন মুচমুচে কারিপাতা-দইয়ের চিংড়ি।