যে কোনও অনুষ্ঠানের আগে ত্বককে একটু বেশি সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে কে না চান! কিন্তু যাদের ত্বক সহজেই লাল হয়ে যায়, চুলকায় বা ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা দেখা দেয়, তাদের ক্ষেত্রে নতুন প্রসাধনী ব্যবহার করাও অনেক সময় ঝুঁকির। তাই ত্বকের ধরন বুঝে সহজ কিছু পরিচর্যার দিকে নজর দিতে পারেন।
মুসুর ডাল, দুধ ও কাঁচা হলুদ দিয়ে তৈরি মিশ্রণ ত্বকের পরিচর্যায় ব্যবহার করা যায়। মুসুর ডাল বাটা, অল্প দুধ এবং সামান্য কাঁচা হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখ ও ঘাড়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। তবে সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় লাগিয়ে দেখে নেওয়া জরুরি।
পাকা কলা ও নারকেল তেলও শুষ্ক ত্বকের জন্য ব্যবহার করা যায়। পাকা কলা চটকে তার সঙ্গে অল্প মধু ও নারকেল তেল মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক নরম রাখতে এই ধরনের পরিচর্যা উপকারী হতে পারে।
যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত এবং সহজেই ব্রণ হয়, তারা মুলতানি মাটি ও বিটের রসের মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। তবে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক বা খুব সংবেদনশীল হলে এই ধরনের মিশ্রণ ব্যবহারে সতর্ক থাকা দরকার।
ত্বককে সতেজ রাখতে শসা ও টক দইয়ের মিশ্রণও ব্যবহার করা যায়। শসার রসের সঙ্গে অল্প দই মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকে ঠান্ডা ও সতেজ অনুভূতি আসতে পারে।
তবে ঘরোয়া উপাদান মানেই সবার ত্বকের জন্য নিরাপদ এমনটা নয়। পুজোর আগে ত্বকে নতুন কিছু ব্যবহার করার আগে ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। ত্বকের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে ঘরোয়া উপায়ের বদলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।