প্যান্ট ধরে রাখার ব্যবহারিক উপকরণ থেকে ফ্যাশনের আকর্ষণীয় অনুষঙ্গ সাসপেন্ডারের রয়েছে তিন শতাব্দীরও বেশি পুরোনো ইতিহাস। প্রতি বছর ২০ অক্টোবর পালিত হয় সাসপেন্ডার দিবস। এই দিনটি পুরোনো দিনের এই ফ্যাশন অনুষঙ্গের ব্যবহারিক দিক ও স্টাইলিশ আবেদনকে উদ্যাপনের সুযোগ করে দেয়।
উনিশ শতকের গোড়ার দিকে সাসপেন্ডারের আধুনিক নকশা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ১৮২০ সালে অ্যালবার্ট থার্স্টন উঁচু কোমরের প্যান্টের উপযোগী নকশা নিয়ে আসেন। পরে মার্ক টোয়েনের নামে সমন্বয়যোগ্য ও খুলে ফেলা যায় এমন স্ট্র্যাপের পেটেন্টও সাসপেন্ডারের ইতিহাসে জায়গা করে নেয়।
একসময় ওয়েস্টকোটের নিচে পরা হতো সাসপেন্ডার। তবে ১৯৩০-এর দশকে বেল্টের জনপ্রিয়তা বাড়লে এটি কিছুটা আড়ালে চলে যায়। বর্তমানে আনুষ্ঠানিক পোশাকের পাশাপাশি ভিনটেজ ও হিপস্টার ঘরানার সাজেও ফিরে এসেছে এই অনুষঙ্গ। শার্ট-প্যান্টের সঙ্গে সাসপেন্ডার পরলে পোশাকে যোগ হতে পারে আভিজাত্য ও নিজস্ব স্টাইলের ছোঁয়া।
যেভাবে উদ্যাপন করবেন
সাসপেন্ডার দিবসে ফরমাল স্যুট কিংবা সাধারণ শার্টের সঙ্গে সাসপেন্ডার পরে সাজে আনতে পারেন ভিন্নতা। নিজের সাজের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাশট্যাগ দিয়ে শেয়ার করে বন্ধুদেরও উৎসাহিত করতে পারেন।
সৃজনশীল কাজে আগ্রহীরা পছন্দের কাপড়, নকশা ও রঙিন বোতাম ব্যবহার করে নিজেই তৈরি করতে পারেন সাসপেন্ডার। পাশাপাশি এর ইতিহাস ও ফ্যাশনে ফিরে আসার গল্প অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াও হতে পারে উদ্যাপনের অংশ।
সাসপেন্ডার দিবস মনে করিয়ে দেয়, ফ্যাশনে নতুনত্ব আনতে সব সময় নতুন অনুষঙ্গের প্রয়োজন হয় না। পুরোনো দিনের পরিচিত উপকরণকেও নতুনভাবে উপস্থাপন করে তৈরি করা যায় স্বতন্ত্র স্টাইল।