জাপানে হাসুরা আক্তার রুমকির একক প্রদর্শনী

সময়ের গুণী শিল্পী হাসুরা আক্তার রুমকির তৃতীয় একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘সাইলেন্ট হরাইজোন্স: এম্রব্রেসিং দ্য বিউটি উইদিন’ জাপানের টোকিওর কাহাল গ্যালারিতে শুরু হয়েছে। রবিবার (২৭ আগস্ট) প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রদর্শনীটি ২ সেপ্টেম্ব চলবে। দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কাহাল  গ্যালারির মালিক ও কিউরেটর কামরুল হাসান লিপু।

এই প্রদর্শনী সম্পর্কে হাসুরা আক্তার রুমকি বলেছেন, এই সিরিজে আমি এমন একটি যাত্রা শুরু করেছি যা আমার মধ্যে সমুদ্রের গভীরতা তৈরি করে, আমার চিন্তা ও আবেগের সঙ্গে মিশে যায়। শিল্পের মাধ্যমে আমি স্বপ্নের রাজ্যের মধ্যে উড্ডয়নের অতি সূক্ষ্ম সংবেদনকে ধারণ করার চেষ্টা করি।

এটি শিল্পীর তৃতীয় একক প্রদর্শনী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওরিয়েন্টাল আর্ট বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন হাসুরা আক্তার রুমকি। ২০২১ সালে জাপানের কাহাল আর্ট গ্যালারিতে হওয়া বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনীতে গ্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তিনি। এছাড়া কয়েকটি গ্রুপ আর্ট প্রদর্শনী, কর্মশালা, আর্টক্যাম্প, প্রকল্প ও আর্ট রেসিডেন্সিতে অংশগ্রহণ করেছেন এই শিল্পী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাসুরা আক্তার রুমকির চিত্রকর্মের মূল বিষয় হচ্ছে মানুষ। তার শিল্পকর্মের বৈশিষ্ট্য দ্য ভিঞ্চির ‘একজন মানুষের মুখ তার আত্মার জানালা’ প্রবাদটির আলোকে বোঝা যায়। রুমকি প্যাস্টেল, অ্যাক্রেলিক, চারকোলসহ অন্যান্য মাধ্যমে দক্ষ। পরিচিত বিষয় অঙ্কন করেন না তিনি। বরং, প্রচলিত ঘরানার বাইরে, অদৃশ্য জগতকে তিনি স্পর্শ করতে চেয়েছেন। তার চিত্রকর্মে মায়া ও মানুষের মধ্যে সংযোগের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।

তার ছবিগুলোতে অন্ধকার এবং রঙের বন্ধন বা বিরোধপূর্ণ উপস্থাপনায় যে দ্বান্দ্বিক সূত্র খুঁজে পাওয়া যায়, তা জীবনের সারাংশকে প্রকাশ করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।