কবি মার্ক উন্ডারলিকের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের ফাউন্টেন সিটি নামক একটি ছোট্ট শহরে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন আর্টসে মাস্টার্স সম্পন্ন করে তিনি সান ফ্রান্সিস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি ও বেনিংটন কলেজে অধ্যাপনা করেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ‘দি আর্থ এভেইলস্ (২০১৪)’, এবং ‘ভলান্টারি সারভিট্যুড (২০০৪)’। মার্ক বর্তমানে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের হাডসন রিভার ভ্যালিতে বসবাস করছেন।
যে ছেলে-সন্তানের পিতা হইনি আমি কখনো
যার জন্ম হয়নি—যে ছেলে-সন্তানের আমি কখনো হইনি পিতা
হেঁটে হেঁটে সে অতিক্রম করছে সবুজ ঘাসের লন,
হাঁটু থেকে সরিয়ে পাতলুন খুঁটিয়ে দেখছে সে ক্ষত—
ওই জখমের বর্ণনা দিতেও আমি অক্ষম।
মনকে আমার সরিয়ে নিয়ে আসি তার দেহের হাড্ডি-মাংস থেকে
কল্পনায় দেখি অতঃপর—
পোষা খোরগোশের লোমশ শরীর ছুঁয়ে আদর করছে সে।
যে একোর্ডিয়ান বাজিয়ে আমি মায়ের সঙ্গে ডুয়েটে গাইতাম ‘দ্য মিনেসোটা পোলকা’
সে বাদ্যযন্ত্রটি আমি কখনো আমার ছেলেকে দেইনি,
দেখিনি কখনো শিশুটি তার ছোটো ছোটো আঙুলে ভারি অগোছালোভাবে মুখে পুরছে
নুডুলস
আর আমি প্রত্যাশা করছি হাত নোংরা না করে সে ব্যবহার করবে ধোয়া ঝকঝকে চামচ,
আমার টাকাপয়সা—সমুদয় বিত্ত—কেবল আমারই—এতে ভাগ নেই অন্য কারো,
ঠিক তেমনি যে ভুলগুলো আমি করেছি জীবনে
এসব ত্রুটির দায়িত্ব শুধু আমার।
অর্জন করেছো তুমি যা—তার দিকে নিবিড়ভাবে তাকিয়ে
ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনার কী আছে?
ধরা যাক—কেউ একজন কোনো প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি করলো একটি দেহ
কিন্তু তার মনোলোক যে থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে!
কিছু বিষয় আমার জানা হবে না কখনো।
কাছে আসো—ছোট্ট খরগোশ ছানাটি—ছড়িয়ে দিচ্ছি নরম ঘাস-পাতা।
আমি তোমার মেঘবরণ লোমশ শরীরটি স্পর্শ করে মনের হাত দিয়ে একটু আদর করবো।