করোনায় আমরা ভীত নই। বরং মোকাবেলা করছি গৃহে অন্তরীণ থেকে। এতে হয়ত কিছুটা বাড়তেও পারে মানসিক চাপ। তাই আসুন, খুলে দেই মনঘরের জানালা। নিজেকে চালিত করি সৃজনশীলতায়। আপনি নিয়মিত লিখছেন, বা এটাই হতে পারে আপনার প্রথম গল্প। লিখুন ফেসবুকে। চটজলদি ৫০০ শব্দের গল্প, বাংলা ট্রিবিউনের জন্য। একইসঙ্গে নমিনেট করুন আপনার পছন্দের আরও ১০ জন লেখককে। সেরা ১০ জন লেখক পাচ্ছেন কাগজ প্রকাশনের বই। আর অবশ্যই হ্যাশট্যাগ দিন #বাংলাট্রিবিউনসাহিত্য
আগে তো শুধুই পড়ত, ইদানীং মনে হয় সে কিছু করতে চায়। কিছুটা চঞ্চলতা লক্ষ করি তার মধ্যে মাঝে মাঝে। তারপর একদিন দেখা গেল সে কলেজ প্রান্তরে বন্ধুদের সমাজ বোঝাচ্ছে। সমাজের বৈষম্য নিয়ে কথা বলছে। এই এত্তটুকুন ছেলে! সে কিনা তফাজ্জল হত্যার বিচারের কথা বলে। মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে মিছিলে যায়। আমি বলি, বাপ, এ কী করছিস তুই! সে আমার চোখের ওপর চোখ তুলে কখনো তাকায় না। এখনও তাকাল না। তবে তার সমাজ বদলের কাজও থেমে নেই যেন...
এদিকে তার কলেজ একদিন বেদখল হয়ে যায়। সবুজ ফুলগুলো হলুদ ফ্যাকাসে হয়ে মরে পড়ে রয়।
ছেলেটির মনে কি প্রেম উঁকি দিয়েছে কখনো? হয়তো দিয়েছিল, হয়তো না। হতাশার করাল গ্রাসে তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায়। তার এখন এসব ভাবার সময় কই! তার তো আঠারো বছর বয়স। সমস্ত কলেজ জুড়ে গাঢ় স্তব্ধতা নেমে আসে। ছেলেটাও কেমন যেন সন্ধ্যার সূর্যের মতো ম্লান ম্রিয়মান হয়ে ঘরে বসে থাকে।
কিন্তু না, পরক্ষণেই কী এক অদ্ভুত আলোর ঝলক তার চোখের তারায় নেচে ওঠে। সে জানে রাত শেষ হলেই সূর্য উঠবে। এখন কাজটা হলো, সূর্যকে পূর্বপ্রান্তর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ‘সিসিফাস, আমিও আসছি’বলে ছেলেটি আমার ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ে তীরহারা ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবে বলে...