ইউল্যাবে সাহিত্যে জাদু বাস্তবতা নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার

ইউল্যাবে সাহিত্যে জাদু বাস্তবতা নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার

সাহিত্যে জাদু বাস্তবতার কথা আসলে প্রথমেই নাম চলে আসে গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের। তার গল্পগুলোর শুরু অনেকটা ভিন্ন পন্থায় ৷ এতে অলীক-বাস্তবতা কিংবা জাদু-বাস্তবতার একটি আভাস পাওয়া যায়।

জাদু-বাস্তবতা সাহিত্যের একটি বিশেষ অলঙ্কার, যেকোনও সাহিত্য একটি কিংবা একাধিক বাস্তবতার উপর প্রতিষ্ঠিত। এ শিল্পে সাধারণত এমন প্রতীক কিংবা রূপকের আবরণ থাকে যা মানুষকে সম্মোহিত করে তোলে এবং আকৃষ্ট করে।

সাহিত্যে জাদু বাস্তবতার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর ইংরেজি বিভাগের আয়োজনে গত ২৭ ও ২৮ মে হয়ে গেল ‘ম্যাজিক অ্যান্ড লিটারেচার’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনার।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউল্যাবের উপাচার্য প্রফেসর ইমরান রহমান বলেন ‘শিক্ষার্থীরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রবেশ করে তখন তারা টিনএজ থাকে এবং তাদেরকে মানুষ হিসেবে রূপান্তরিত করার কৌশল বা জাদু একজন শিক্ষকের কাছেই থাকে। আমরা আজকে এখানে একত্রিত হয়েছি এই ধরনের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করার জন্য। বর্তমানে আমরা যে যুগে বাস করছি এখানে জাদুর নিজস্ব একটি অর্থ আছে। আমরা জাদুর প্রয়োগ শুধু সাহিত্যে নয় আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগে নিয়ে আলোচনার করার ব্যাপারে সম্মেলনটি সাজিয়েছি।’   

ইউল্যাবে সাহিত্যে জাদু বাস্তবতা নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার

এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ সুবীর কুমার ধর এবং ইউল্যাব ও যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড ভ্যালী স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ আজফার হোসেন। ডঃ সুবীর কুমার তার পুরো প্রবন্ধ পড়ে শোনান এবং বিভিন্ন রকম জাদু নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন ‘আপনি যখন একজন জাদুকর তখন আপনি তখন নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন।’ তিনি সেমিনারের আহ্বায়ক ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ সামসাদ  মর্তুজাকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন তিনিও জাদু দেখিয়েছেন অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে এই সেমিনার আয়োজন করে এবং আমাদের সবাইকে একত্রিত করে। শেষে তিনি কিছু জাদুও প্রদর্শন করেন ।

এরপর শুরু হয় পেপার প্রেজেন্টেশন। মোট ৮৭টি পেপার প্রেজেন্ট করা হয়। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বাংলা সাহিত্য, ক্যারিবিয়ন, ল্যাটিন আমেরিকান ও মেক্সিকান সাহিত্যে জাদুর প্রয়োগ নিয়ে প্যানেল আলোচনার ব্যবস্থা ছিল। 

ছবি কৃতজ্ঞতা: ফারজানা আকতার 

/এনএ/