ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সেন্টার

ইউনূস সেন্টার

 

নবীন উদ্যোক্তা ও সামাজিক ব্যবসা নিয়ে গবেষণার কাজ করবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। সামাজিক ব্যবসা (সোস্যাল বিজনেস) বর্তমান বিশ্ব রক্ষায় একটি অন্যতম হাতিয়ার, যা মানুষকে গতানুগতিক চিন্তা-চেতনা থেকে বেরিয়ে এসে শুধুমাত্র চাকরির পেছনে না ছুটে বরং নিজে কিছু করার বা উদ্যোক্তা হওয়ার অনুপ্রেরণা ও শিক্ষা দেয়। ফলে বিভিন্ন দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে সামাজিক ব্যবস্যার বিকল্প আর কিছু নাই।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সোস্যাল বিজনেস বা সামাজিক ব্যবসা হল এমন একটি ধারণা যা খুব দ্রত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরেছে এবং এর মাধ্যমে নবীন উদ্যোক্তার সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বর্তমানে বিশ্বের ৫৫ টি দেশ সামাজিক ব্যবসা নিয়ে কাজ করছে। এখন পযর্ন্ত বিশ্বের ২২ টি দেশের মোট ৩১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউনূস সোস্যাল বিজনেস সেন্টার” সামাজিক ব্যবসা নিয়ে গবেষণা করছে। বাংলাদেশে এই প্রথম ‘ইউনূস সোস্যাল বিজনেস সেন্টার’ খোলা হলো। এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যারা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই সেন্টার গুলোতে ছাত্র-শিক্ষদের মধ্যে সামাজিক ব্যবসা নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি এই ব্যবসার তত্ত্বকে সবার নিকট পরিচিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে উদ্যোক্তা হওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও করে থাকে।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইউনূস সোস্যাল বিজনেস সেন্টার প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ইউনুস সেন্টার ঢাকার মধ্যে গত ২২ নভেম্বর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পক্ষে বোর্ড অব ট্রাষ্টিজের চেয়ারম্যান ডাঃ এস কাদির পাটোয়ারী ও ইউনুস সেন্টারের পক্ষে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং ইউনুস সেন্টার এর নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।
/এফএএন/