‘বঙ্গবন্ধুই সর্বপ্রথম ক্ষুদ্র ঋণের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন’

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুই সর্বপ্রথম ক্ষুদ্র ঋণের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। একটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে। সম্পদের অপব্যবহার ও অপচয় রোধ করতে হবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সম্পদ উদ্বৃত্ত রাখতে হবে। আমাদের মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে জ্ঞান, তথ্য-প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে। আর উন্নত ভবিষ্যতের জন্য অসম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমাদের নিয়োজিত থাকতে হবে।”

সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শিক্ষক সমিতির ‘ঐতিহাসিক মার্চ ১৯৭১ ও বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভা প্রধান অতিথির হিসেবে বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, “বঙ্গবন্ধু ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। সহকর্মীদের প্রতি তার সহানুভূতি ছিল প্রগাঢ়। দেশের জনগণ কি চায়, কোন সময়ে কি করতে হবে-এসকল বিষয়ে তিনি সর্বদা সজাগ ছিলেন। মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর মানবতাবোধ ছিল প্রবল, যা সবসময় তার চিন্তায়,  চেতনায় ও কর্মে প্রকাশ পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারে শিক্ষার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। তৎকালীন সময়ে কলকাতায় গিয়ে বঙ্গবন্ধু লেখাপড়ার ঘটনাটি ছিল বিরল।”

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, “বাঙালি জাতির ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ গৌরবময় অধ্যায়। আর এই গৌরবময় অধ্যায়ের একটি স্তম্ভ হচ্ছে ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মার্চ মাস। বাঙালির জাতির জাগরণের পুঞ্জিভুত রূপ হচ্ছে ৭ মার্চ। একই সঙ্গে মার্চ হচ্ছে রক্ত দিয়ে রাজপথ রাঙানোর ইতিহাসের মাস।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. প্রিয়ব্রত পালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ট্রেজারার অধ্যাপক মোঃ সেলিম ভূঁইয়া, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাস ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম। আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী।

/এফএএন/