প্রদর্শনীসহ মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি এবং ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড.আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন,‘ইউনেস্কো কর্তৃক ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ ঘোষণা করার কারণে এ বছর নববর্ষ আয়োজনের এক বৈশ্বিক গুরুত্ব রয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও শৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে সতর্কতার সঙ্গে নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া মঙ্গল শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রচুর লোকসমাগম হয় তাই ওই সময় নিরাপত্তার বিষয়টি সবসময় মনে রাখতে হবে।’
সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন,‘পহেলা বৈশাখ বাঙালীর জীবনে আবহমান কাল ধরে পালন হয়ে আসছে। তাই সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ উৎসবের আঙ্গিক পরিবর্তন হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রার সঙ্গে ধর্মের কোনও সংঘাত নেই,এটি সাংস্কৃতিক বিষয় ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন।এটি অন্ধকার ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়াই। আর সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সাধারণ মানুষ সবাই মিলে এ লড়াই লড়তে হবে।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন)ও ১লা বৈশাখ উদ্যাপন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো.আখতারুজ্জামান, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেনসহ অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথিরা মঙ্গলশোভাযাত্রার প্রস্তুতির বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
/এমডিপি/