শোভাযাত্রাটি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেইন গেট থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে টাকশুর গ্রামে যায়। সেখানে স্থানীয় লোকজন শোভাযাত্রাটিকে স্বাগত জানান এবং শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। পরে টাকশুর থেকে খেজুরটেক গ্রাম হয়ে পিএইচএ ভবন হয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান গেটে ফেরত আসে। পথে স্থানীয় জনসাধারণ, গণপাঠশালার ছাত্র-ছাত্রী, পিএইচএ ভবনে অবস্থানরত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সন্ধানীর কেন্দ্রীয় সম্মেলনে উপস্থিত হওয়া সদস্যরা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রায় বিভিন্ন রকমের বাঘ, হাতী, পাখির প্রতিকৃতি নিয়ে আবহমান বাংলার জেলে, কৃষক, গোয়াল, ফুলওয়ালিসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর সাজে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীরা সজ্জিত হয়ে অংশ নেন। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা বর-বঁধুর সাজে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে। সবাই মিলে নেচে গেয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।
শোভাযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকসহ সার্বক্ষণিক গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের একটি অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক ছিল। এই বর্ণিল আয়োজন সম্পর্কে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলমগীর কবির রানা জানান, ''বাঙালির সবচেয়ে বড় সার্বজনীন উৎসব নববর্ষ। নতুন বছরের রঙ ছড়ানো পহেলা বৈশাখকে বাঙালি বরণ করে নেয় নানা অনুষঙ্গে।এরই একটি হচ্ছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এই বর্ণিল আয়োজন।
/এফএএন/