শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা, স্বল্প সময়ে সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল দেওয়া, নিঃশর্তে শিক্ষার্থী চয়নের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার,বিভাগের সমিতির নিয়ন্ত্রণ শিক্ষার্থীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া, ক্লাসরুমে প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করা ও সেমিনারে পর্যাপ্ত কম্পিউটারের ব্যবস্থা করা দাবিতে তারা এ ধর্মধট পালন করছেন।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩১ মে ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক, অশোভন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হয় এমন লেখালেখি এবং এক শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে অশোভন ভাষায় গালিগালাজ করার জন্য একই বিভাগের শিক্ষার্থী চয়ন মল্লিক দ্বীপকে (এম এ) সাময়িকভাবে একাডেমি ও হল বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে ইংরেজি বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, সহপাঠির অসুস্থতার কারণে ওই বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা ৪ জুন স্থগিত পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আবেদন করলে বিভাগের সভাপতি পরীক্ষা না নেওয়ার কথা বলেন। তাই সহপাঠির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমাদের এ কর্মসূচি চলবে।
/এমডিপি/