অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন কুবি’র নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাকে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য প্রমাণাদিসহ লিখিত বক্তব্য রেজিস্ট্রারের কাছে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়েছে।
চিঠি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে দায়সারাভাবে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ৩১ জুলাই ওই শিক্ষক ফেসবুকে তার ফেসবুক প্রোফাইলে স্ট্যাটাস দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো.আসাদুজ্জামান বলেন, ‘স্বয়ং উপাচার্যই বলেছেন, ভাস্কর্য নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। আমি এর পরিপ্রেক্ষিতেই ফেসবুকে লিখেছি। প্রশ্ন হলো, প্রথমে যদি মানসম্মত নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, তাহলে আগের ভাস্কর্য সরিয়ে নতুন ভাস্কর্য কেন বসানো হলো?’
কুবি’র এই শিক্ষকের দাবি, উপাচার্যের দমনমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।
রেজিস্ট্রার মো.মজিবুর রহমান মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘উপাচার্যের নির্দেশক্রমে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই শিক্ষকের কাছে কোনও তথ্য প্রমাণ থাকলে তিনি তা উপস্থাপন করবেন।’
এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নানের সঙ্গে অসদাচরণ ও সিন্ডিকেট সভায় বাধাদানের অভিযোগ ওঠে অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে। তখনও তাকে শোকজ করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
/এমডিপি/জেএইচ/