রবিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) একযুগ উদযাপন অনুষ্ঠানের জন্য ব্যয় করা অর্থ থেকে এক হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের জন্য ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তরের অনুষ্ঠানে ত্রাণমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এখন বাংলাদেশে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। মানবিক দিক চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যা দরকার, সে চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কক্সবাজারের কুতুপালং এখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় একটি উপশহরের মতো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে বিদ্যুতের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।’
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘২০ হাজার একর স্থানে মধ্যে এত মানুষের চাপ সামলানো যেন কঠিন হয়ে না পড়ে, সেজন্য আরও এক হাজার একর অতিরিক্ত সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। জায়গাটি সেনাবাহিনীর সহায়তায় ২০টি সাব-ক্যাম্পে ভাগ করা হয়েছে। সেখানে ২০টি ক্যাম্পের জন্য ২০ জন সেনা কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। এখানে ৭৫ হাজার ঘর বানানো হয়েছে। যদিও বর্তমানে দেড় লাখ ঘরের দরকার।’
অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর কাছে একটি প্রতীকী ত্রাণবাক্স তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয় উপচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম ভূইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কালাম ও জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. প্রিয়ব্রত পাল প্রমুখ।