বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা হলেন, নোবিপ্রবি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুদ আলম এবং ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিশ্বনাথ দাস। চলতি বছরের ৩০ আগস্ট এবং ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের ৩১ ও ৩২তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বরখাস্ত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষক মো. মাসুদ আলম ২০১২ সালের অক্টোবর পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করতে শিক্ষাছুটিতে জাপান যান। পিএইচডি সম্পন্ন করে নিয়মানুযায়ী তার বিভাগে যোগদান করার কথা। কিন্তু তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করে কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং জিও (সরকারি আদেশ) ব্যতিত ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই পুনরায় দেশত্যাগ করেন। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জাতীয় দুটি পত্রিকায় তাকে কারণ দর্শানোর চূড়ান্ত নোটিশ দেয়। কিন্তু তিনি ওই নোটিশেরও কোন জবাব দেননি।
এদিকে, ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক বিশ্বনাথ দাস ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে পিইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করতে কোরিয়ায় যান। তিনি ২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাছুটি ভোগ করেন। ছুটির মেয়াদ শেষে বিধি অনুযায়ী বিভাগে যোগদানের প্রশাসনিক নির্দেশনা থাকলেও তিনি যোগদান করেননি এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। পরবর্তীতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এর কারণ জানতে চাওয়া হলে অনুপস্থিতির কোনও সদুত্তর এবং এখন পর্যন্ত তার কোনও অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই দুই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধি লংঘনের অভিযোগে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে এবং তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সব দেনা পরিশোধের নির্দেশ প্রদান করে।