বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুল গনি বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে কৃতকার্যদের জানানো হবে।’
নতুন বছরের জানুয়ারিতেই নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, ১১ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ৯টা থেকে ‘বি’ ইউনিট (গ্রুপ-১) মেধা তালিকায় ১ থেকে ৬০০ পর্যন্ত, ১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯টায় মেধা তালিকায় একই ইউনিটের গ্রুপ-১ এর ৬০১ থেকে ১১২৩ পর্যন্ত এবং দুপুর ২টায় ‘বি’ ইউনিটের (গ্রুপ-২) এর ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ও ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। একই দিন বিকেল ৩টা থেকে ‘বি-১’ ও ‘বি-২’ ইউনিটের অধীনে মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া সব ধরনের কোটায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হবে।
আগামী ১৩ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ৯টায় ‘এ’ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগে মেধা তালিকায় ১ থেকে ২১৭ পর্যন্ত এবং বেলা ১১টায় মানবিকের মেধা তালিকায় ১ থেকে ৩১০ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ও ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ১৭ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ৯টা থেকে বাণিজ্যের মেধা তালিকার ১ থেকে ৮৩ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হবে। একই দিনে বেলা ১১টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের অধীনে সব ধরনের কোটায় মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ভর্তির পর আসন খালি থাকলে ভর্তি কমিটির বৈঠকের পর ডিসেম্বরের মধ্যে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. আবদুল গনি।
সাক্ষাৎকার ও ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের এডমিট কার্ড (ভর্তি পরীক্ষা), এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র ও সার্টিফিকেট এবং ৬ হাজার ৮৫০ টাকা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে। কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির যোগ্যতা প্রমাণের জন্য যথাযথ সনদপত্রের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। প্রার্থীদের প্রতিটি সনদপত্র ও নম্বরপত্রর ২টি সত্যায়িত ফটোকপি অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে।
উল্লেখ্য, ১৮ নভেম্বর শাবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (http://www.sust.edu/admission)এবং ০১৫৫৫৫৫৫০০১-৪ হটলাইনে যোগাযোগ করা যাবে।