সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযাদ্ধা মুকুল বাস উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল আলোচক হিসেবে বাংলাদেশ তথ্য কমিশনের তথ্য কমিশনার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. খুরশীদা বেগম উপস্থিত ছিলেন। এসময় তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে মুক্তির পথের কথা, দায়িত্ববোধের কথা, গণতন্ত্রের যাত্রাপথের কথা এবং জাতি নির্মাণের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। মূলত একটি জাতি নির্মাণ হওয়ার পর একটি রাষ্ট্র গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে কোন বিচ্ছিন্নতাবাদ ছিল না। ‘এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম’ তাঁর ভাষণের একটি কথায় বাঙালি জাতির স্বাধীনতার নির্দেশনা ছিল। বঙ্গবন্ধু একাই ছিলেন যুদ্ধকালীন ক্রান্তিকালের স্বপ্নদ্রষ্টা। স্বাধীনতা লাভের জন্য পুরুষ-মহিলা-নির্বিশেষে সবাইকে তিনি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার কথা বলেছেন। এখানে তিনি কখনও ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গের কোন ভেদাভেদ করেনি।”
বিশেষ আলোচক হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন,‘বঙ্গবন্ধু ইতিহাস ও রাজনীতির বিষয়ে সচেতন ছিলেন। তার বক্তব্যর দূরদর্শীতার কারণে ৭ই মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক সম্পদে পরিণত হয়েছে।’
সেমিনারে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন সেমিনারের সভাপতি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক দীপক কুমার বিশ্বাস ও লুৎফুনাহারের সঞ্চালনায় সেমিনারে ‘৭ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা ও ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড এর স্বীকৃতি’ শীর্ষক প্রবন্ধ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাকিবা সুলতানা রতা এবং ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষন’ শীর্ষক প্রবন্ধ সহকারী অধ্যাপক নূরানা উপস্থাপন করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।