র্যালি শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৮ সালের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে দলটি।’
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. শাহাদৎ হোসেন খান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেন, ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেটর ড. মো. মফিজউল ইসলাম, হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ নেতা নাহিদ আহমেদ নয়ন, মোস্তফা তারেক চৌধুরী, মো. মামুন-উর-রশিদ, পলাশ চন্দ্র রায়, মমিনুল হক রাব্বি ও রিয়াদসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।