প্রদর্শনীর প্রথম দিন বুধবার সকাল ১০ টা থেকে ‘মুক্তির গান’ সিনেমার মাধ্যমে শুরু হয় প্রদর্শনী। এরপর প্রদর্শিত হয় ‘নরসুন্দর’। প্রথম দিনের শেষ ছবি বেলা ১২:৩০ থেকে প্রদর্শিত হয় তারেক মাসুদের পরিচালিত ছবি ‘মাটির ময়না’।
মুক্তির ছবি দেখানো বিষয়ে জানতে চাইলে জবি চলচ্চিত্র সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল কবির মিল্টন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও আমরা মুক্তির ছবি দেখাচ্ছি। যাতে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত হয়। তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস খুবই কম জানে। তারা বই পড়তে চায় না। এছাড়া বই পড়ার মাধ্যমে আমরা শুধু নিজের চিন্তা চেতনার সাথে তৎকালীন অবস্থা বিবেচনা করতে পারি। কিন্তু একজন পরিচালক যখন ছবি তৈরি করেন তখন সেসময়ের মানুষদের সাথে পরিচলক ও দর্শকের চিন্তা চেতনার সমন্বয় ঘটে। তিনি এও বলেন, একটি ছবির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সামান্য অংশ তুলে ধরতে পারি। এজন্য আমাদের ছবি দেখার পাশাপাশি বইও পড়তে হবে।
ছবি প্রদর্শনীর বিষয়ে জানতে চাইলে চলচ্চিত্র সোসাইটির মেন্টর জুনায়েদ আহমদ হালিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের জায়গা থেকে চেষ্টা করছি মুক্তিযুদ্ধের কিছু অংশ দেখানোর জন্য। এখন শিক্ষার্থীরা সিদ্ধান্ত নিবে কোনটি তারা মানবে কোনটি মানবে না। তাছাড়া ছবির মাধ্যমে গোটা মুত্তিযুদ্ধকেও তো তুলে ধরা সম্ভব না। এখানে কিছু বিশেষ দিক তুলে ধরা সম্ভব।
উল্লেখ্য, আগামীকাল নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গেরিলা’ ও ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ফাখরুল আরেফিন খান 'ভুবন মাঝি' ছবি প্রদর্শনীর মাধ্যমে শেষ হবে।