এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার চাহিদার বিপরীতে ৩২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে মুঞ্জরি কমিশন বরাদ্দ দিয়েছে ৩১১ কোটি ৫০ লাখ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে পাওয়া যাবে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯০ কোটি ২ লাখ টাকা।
এবারের বাজেটে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৯৮ কোটি ২০ লাখ টাকা। শিক্ষক ও কর্মচারীদের পেনশন ভাতায় বরাদ্দ ৬৯ কোটি ১০ লাখ টাকা, এছাড়া গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৭৫ লাখ টাকা।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘শুধু অবকাঠামো আর বসার জায়গা থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় হয় না, বিশ্ববিদ্যালয় হতে হলে অবশ্যই বিশ্ব মানের গবেষণা হতে হবে। আমার কখনও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বেকার সৃষ্টির কারখানা হিসেবে দেখতে চাই না। বিশ্ববিদ্য্যালয়ের কাজ শুধু ক্লাস রুমে পড়ানো নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিণ আখতার।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ২৫টি গবেষণা প্রকল্প সম্পাদিত হয়েছে এবং ২৬টি গবেষণা প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গ্রন্থগারে বই ক্রয় বাবদ ২৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা সেবার উন্নয়নে চবি চিকিৎসা কেন্দ্র নতুন নতুন মেশিন সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সিকান্দার চৌধুরী, সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি ও শাহজালাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক সুলতান আহমদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর, অধ্যাপক আবুল মনছুর, অধ্যাপক ড. মো শামসুদ্দিন, অধ্যাপক ড. বেনু কুমার দে, অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ, অধ্যাপক ড. কাজী এস এম খসরুল আলম কুদ্দুসী, অধ্যাপক ড. রহমান নাছির উদ্দিন, অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান সহ সিনেটরবৃন্দ।