এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে লালন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে চাই। ধর্ম যার যার দেশটা সবার। এখানে সকল ধরনের অন্যায়, অবিচার, পাপাচার, দূর্নীতি, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়ে কল্যান ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সহাস্য ধরাধামে আর্বিভাব হয়েছিলেন এবং হাসির মধ্যে দিয়ে ধরাধাম থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। যেকোনও মানুষের দিনের শুরুটা যদি হাসির মাধ্যমে হয় তবে এতে করে পরিবার সমাজ ও দেশের অনেক উপকার হবে। শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক ড. ধনঞ্জয় কুমার সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান। ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. অরবিন্দ সাহা। বক্তব্য রাখেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তপন কুমার রায়। জন্মাষ্টমীর উপর ধর্মালোচক হিসাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সদস্য ডঃ মিলন কুমার বসু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব বিপ্লব দাশ বাবুই।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, প্রফেসর ড. জাকারিয়া রহমান, প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, প্রফেসর ড. আজগর হোসেন, ড. আলতাফ হোসেন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম আব্দুল লতিফ, লিটন বরন শিকদারসহ হিন্দুধর্মাবলম্বী সকল শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।