বাবার আর্থিক দৈন্যের কারণে অন্য ১০টা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবার সুযোগ পাননি। ঢাবির পরীক্ষার পর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে একটিতে ৪২তম ও অন্যটিতে ৭০তম হন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে সে ৪ দশমিক ৭৮ এবং ৪ দশমিক ৫ পেয়েছিলেন। পিতার আর্থিক দুর্দশার কারণে তাকে প্রায় ২৫/৩০ কিলো দূর থেকে কলেজে ক্লাস করতে হয়েছে। বাবা আবদুল হাকিম বাড়ির ভিতরে একটা মুদি দোকান চালান। তাদের এই দোকান ছাড়া অন্য কোন জমিজমা বা আয় উপার্জনের পথ নেই। তিনি শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার ফাকরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে তার পাঁচজনের সংসার। দ্বিতীয় ছেলেটিও এসএসসি পরীক্ষার্থী। ক্ষুদ্র দোকানটিই তার আয়ের একমাত্র উৎস।
এ পরিবারটি ভাগ্য বদলের আশায় পাশের জেলা জামালপুরের নান্দিনা গ্রাম থেকে এসে বাড়ি বানায় ঝিনাইগাতির পাহাড়ি এলাকায় সরকারের খাস জমিতে। কিন্তু মেঘালয় থেকে নেমে আসা বন্য হাতির দলের অত্যাচারে ওই জায়গা ছেড়ে দিতে হয়। আবদুল হাকিম সীমান্তবর্তি ফাকরাবাদ গ্রামে আর তার একভাই হলদি গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। দারিদ্র্য তারদের পিছু ছাড়েনি। আবদুল হাকিমের আশা ছেলে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে তাকে দারিদ্র্যের এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করবে।
এমতাবস্থায় তার পক্ষে ছেলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির টাকা যোগানো অসম্ভব। ভর্তি হতে লাগবে ১৫-১৭ হাজার টাকা। আলী আকবরকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,সে কিভাবে লেখাপড়ার খরচ চালাবে। তিনি জানান, টিউশনি আর যে কোন কাজ করে সে লেখাপড়ার খরচ চালাবে। ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন তার। এ স্বপ্ন কী আদৌ পূরণ হবে? মেধাবী শিক্ষার্থী আলী আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে এই নম্বরে ০১৫১৬৩৫৫৮৪০।