শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার শালচূড়া গ্রামের ছেলে মাহমুদুল হাসান। বাবা আখতার হোসেন রিকশাচালক, তিন ছেলেমেয়ে নিয়ে পাঁচজনের সংসার তার। মাত্র কয়েক শতাংশ বসত ভিটা ছাড়া অন্য কোনও অবলম্বন নেই। বড় ছেলে মাহমুদুল হাসান এবারের ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদে মেধা তালিকায় ৮৫তম স্থান দখল করেছে। পরিবারের পাঁচ সদস্যের আহার কোনও মতে যোগাড় করতে পারলেও ছেলেকে পড়ানোর সামর্থ্য আখতার হোসেনের নেই। এছাড়া আরপ একটি মেয়ে স্থানীয় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। যেখানে পেটের ভাত যোগানোই কঠিন সেখানে কোথা থেকে আসবে ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার খরচ? তাই ছেলের ভর্তির টাকা যোগাড় করার জন্য তিনি এখন একমাত্র অবলম্বন রিকশাটি বিক্রি করার কথা ভাবছেন। কিন্তু রিকশা বিক্রি করলে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে তার।
মাহমুদুল হাসানের ভর্তি ও উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করতে পারেন সমাজের হৃদয়বান মানুষরা। আসুন আমরা তার উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করতে এগিয়ে আসি।
যোগাযোগ
মাহমুদুল হাসান, মোবাইল- ০১৯৯৫৯৫১৭৭৪