চট্টগ্রামে উচ্চশিক্ষায় সিআইইউর সঙ্গে কাজ করবে কেইপিজেড-সিউল ইউনিভার্সিটি

চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষার প্রসারে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউর) সঙ্গে যৌথভাবে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল-কেইপিজেড ও কোরিয়ার খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

CIU Photo

গতকাল ১১ই ফেব্রুয়ারি দুপুরে এই উপলক্ষে কেইপিজেডে সিআইইউর সঙ্গে অপর দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় সিআইইউর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা, শিক্ষকদের উচ্চতর ডিগ্রি লাভের সুযোগ প্রদান, নিয়মিতভাবে ওয়ার্কশপ-সেমিনারের আয়োজন করাসহ এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে নানা বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।

এর আগে সকালে সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরীর  নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল কেইপিজেড এলাকা পরিদর্শন করেন। এই সময় তাদের স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কিহাক সাং।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিটের প্রেসিডেন্ট ফারুক সোবহান, কোরিয়ান কেইপিজেড কর্পোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের ইয়ংওয়ানের প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গীর সাদাত, সিআইইউর প্রক্টর অধ্যাপক ড. নুরুল আবসার নাহিদ, বিজনেস স্কুলের ডিন ড. মোহাম্মদ নাঈম আবদুল্লাহ, সহযোগি অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুর কাদের, স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল, ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম প্রমুখ।

কেইপিজেডের চেয়ারম্যান কিহাক সাং সিআইইউর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করলে চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষা নতুন মাত্রা পাবে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বরাবরই কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করে আসছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষায় আরও চৌকষ করে গড়ে তুলতে নানামুখী পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য  কেইপিজেড সবসময় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সিআইইউর মেধাবীদের এগিয়ে আসতে হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরীর বলিষ্ঠ ভূমিকায় ও সৃজনশীল নেতৃত্বে সিআইইউ আগামী দিনে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হয়ে সুনাম কুড়াবে বলে এই সময় অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কিহাক সাং।

চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষায় কেইপিজেড ও কোরিয়ার খ্যাতনামা বিশ^বিদ্যালয় সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ এই অঞ্চলে কর্মমুখী শিক্ষা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন,  ‘ক্লাসরুমের বাইরে ব্যবহারিক শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের পরিচিত করে তুলতে ইয়াংওয়ান-কেইপিজেডের এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মেধাবীদের আত্মবিশ্বাসী হয়ে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

সিআইইউর প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মানবিক গুণসম্পন্ন ও দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে এই দুই প্রতিষ্ঠান শিগগিরই তাদের পরিকল্পনা অনুসারে কাজ শুরু করবে বলে জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।