বাকৃবিতে কৃষিবিদ দিবস পালিত

স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। এখন বাংলাদেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাংলার কৃষক ও কৃষিবিদরা মিলে এই অসাধ্যকে সাধন করেছে। কৃষির অন্যতম চ্যালেঞ্চ হচ্ছে খাদ্যর পুষ্টিমান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আরেকটি হচ্ছে কৃষিকে লাভজনক ও বাণিজ্যিক করা। এটি করতে হলে কৃষিকে আধুনিকায়ন করতে হবে। বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কৃষি দিবস পালনকালে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন। বাকৃবি ও বাকৃবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে কৃষিদিবস আয়োজন করে। এ উপলক্ষে ফানুস উড্ডয়ন, আনন্দ শোভাযাত্রা, অ্যালামনাই সমাবেশ ও কৃতী অ্যালামনাই সংবর্ধনা, সেমিনার ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Agri. pic 22
এতে সভাপতিত্ব করেন বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর মো. আলী আকবর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু ও সংসদ সদস্য কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এতে বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Agri. pic
এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস অধ্যাপক কৃষিবিদ ড. এম এ সাত্তার মন্ডল। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ছিল একটি তলাবিহীন ঝুড়ির মতো। দেশের ওই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কৃষিবিদদের গুরুত্ব উপলদ্ধি করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা প্রদান করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০১০ সালের ২৭ নভেম্বর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) এক সাধারণ সভায় ১৩ ফেব্রুয়ারিকে কৃষিবিদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছরই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।