ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর ৩ দফা দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরিবহন পরিচালককে অবরুদ্ধ করে তার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের জন্য কর্মকর্তাদের ক্ষমা চাওয়া, কর্মকর্তাদের জোরপূর্বক শিক্ষকদের বাসে ওঠার ঘটনায় ডিসিপ্লিনারি কমিটি গঠন করে দোষীদের বিচার, কর্মকর্তাদের শিক্ষকবাসে ওঠার জন্য উস্কানি দেয়ায় রেজিস্ট্রার ড. ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের অপসারণ চেয়ে আল্টিমেটাম জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ১২ তারিখের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কর্মবিরতিতে যাবেন বলে শিক্ষকরা ঘোষণা দিয়েছেন।
ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যানবহনে চড়বেন না এবং ১২ মার্চের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হলে সকল ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রসাশনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
পরিবহন কমিটি ও পরিবহন ক্রয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মহিউদ্দিন বলেন, শিক্ষকরা কখনই কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ে বাধা তৈরি করেনি। কর্মকর্তারা এসি বাস ক্রয়ের ব্যপারে প্রাথমিকভাবে পরিবহন কমিটিকে কখনওই জানায়নি। ভাইস চ্যান্সেলরের সামনে অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বীকার করে বলেছেন কর্মকর্তারা পরিবহন কমিটির কাছে এসি গাড়ি ক্রয়ের ব্যপারে বলেননি, তারা ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে চেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার পরিচালকও জানিয়ে দিয়েছেন কর্মকর্তাদের জন্য এসি গাড়ির অনুমোদন ইউ.জি.সি দিবে না।
এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. পিনাকী দে বলেন, আমরা শিক্ষকরা মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর বরাবর আমাদের অভিযোগ জানিয়েছি। রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছি। তবে ১২ মার্চের মধ্যে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে আমরা শিক্ষকরা সকল ধরনের অ্যাকাডেমিক ও প্রসাশনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকব।