এই সচেতনতা কর্মসূচি চলবে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে প্রতিটি ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা সরঞ্জাম বৃদ্ধি,পর্যাপ্ত পরিমানে ফায়ার বল ও কম্বল সরবরাহসহ সম্ভাব্য বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ। এছাড়া নোটিশ,এসএমএস,পোস্টার বিতরণের মাধ্যমে সারা বছর এই অগ্নি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চলবে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার লেফটেনেন্ট কর্নেল ফয়জুল ইসলাম (অব.) জানিয়েছেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবনে বিকল্প জরুরি বহির্গমন সিঁড়ি নির্মাণসহ পুরনো সিঁড়িগুলোর আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া ভবনগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমানে ফায়ার বল,কম্বল,তোয়ালে রাখা হবে।
শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কোনও ঝুঁকি নেবে না বলে নিশ্চিত করেছেন রেজিস্ট্রার ফয়জুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ইস্যুতে আমরা কোনো প্রকারে ছাড় দেব না। অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রতি বছর একাধিকবার ফায়ার ড্রিলসহ বেশ কিছু কর্মসূচি পালন করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকা ৯ সদস্যের দক্ষ একটি ফায়ার ফাইটিং টিম রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় সম্প্রতি কিছু অগ্নিকাণ্ড ঘটায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে স্মোক ডিটেক্ট ও হিট ডিকেক্টর ইনস্টল করা হয়েছে।